1. admin@prottashanewsbd24.com : admin :
শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন

চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবন ও পুলিশ ফাড়িতে শিক্ষার্থীদের ভাঙচুর ও আগুন।

প্রত্যাশা নিউজ ডেস্ক
  • সময় : শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
সংবাদটি শেয়ার করুন:

রাতের শাটল ট্রেনের ছাদে চড়ে ক্যাম্পাসে ফেরার সময় গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহতের ঘটনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) মূল ফটক অবরুদ্ধ করে অবস্থান নিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ১১টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনে ভাঙচুর চালিয়েছেন। ভাঙচুর চালানো হয়েছে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতেও।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে আগুন জ্বালিয়ে অবস্থান করছেন। এর আগে শাটলে দুর্ঘটনার খবরে রাত সোয়া ১০টার পর থেকে সেখানে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা উপাচার্যের পদত্যাগ চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর বটতলী স্টেশন থেকে রাত সাড়ে ৮টায় ছেড়ে আসা শাটল ট্রেনটি চৌধুরীহাট এলাকায় পৌঁছালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে শাটলের ছাদে থাকা অন্তত ১৫ শিক্ষার্থী অন্ধকারে নুয়ে পড়া গাছের ডালের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আহত হন। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

আহতদের স্থানীয় ক্লিনিক ও চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

পরে ফতেয়াবাদ স্টেশনে টেন থামলে আট শিক্ষার্থীকে গুরুতর আহত অবস্থায় ছাদ থেকে নামিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের দাবি, শাটলে পর্যাপ্ত আসন না থাকায় প্রতিদিনই ছাদে চড়ে ক্যাম্পাসে যাতায়াত করতে বাধ্য হন শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী সিফাত বলেন, শাটলে শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত গাদাগাদি করে চলাফেরা করেন। শিক্ষার্থীরা বারবার প্রশাসনকে জানালেও এ বিষয়ে কখনোই ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীরা ছাদে যাতায়াত করেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্বহীনতার কারণে বারবার এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে।

তবে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কিংবা উপাচার্যের বাসভবন বা পুলিশ ফাঁড়িতে ভাঙচুর চালানো হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাউকে সেখানে যেতে দেখা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মাঝেমধ্যেই শাটলের ভেতরে জায়গা না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ছাদে চড়ে যাতায়াত করেন। কয়েকদিন আগেই চৌধুরীহাট এলাকার একটি গাছের ঢাল নুয়ে পড়ে। এতে বৃহস্পতিবার বিকেলেও এক শিক্ষার্থী আহত হন। রাতে অন্ধকার থাকায় ক্যাম্পাসগামী ট্রেনের ছাদে থাকা শিক্ষার্থীরা গাছের ঢালের সঙ্গে সজোরে ধাক্কায় খায়। আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে ফতেয়াবাদ মেডিকেল ক্লিনিকে পাঠানো হয়েছে।

দুর্ঘটনার পরপরই প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল কাফি বলেন, আমি ছাদ থেকে তিনজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় নামিয়েছি। এরমধ্যে দুজনের মাথা ফেটে গেছে। রক্ত বের হচ্ছিল। অন্যজন পায়ে প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছে। ট্রেনের অন্য পাশে আরও কয়েকজনকে আহত অবস্থায় নামাতে দেখেছি।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব  সংরক্ষিত © প্রত্যাশা নিউজ বিডি ২৪ © ২০২১
Theme Customized BY Theme Park BD