ভোলার তজুমদ্দিনে শ্রমিকদলের সভাপতির চাঁদাবাজিতে যুবদলের বাঁধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্ততঃ ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৪ জনকে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও একজনকে ভোলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
আজ (৬ জানুয়ারী) উপজেলার শশীগঞ্জ বাজারের দক্ষিণ মাথায় এ ঘটনা ঘটে। উভয় পক্ষ একে অন্যের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেন।
স্থানীয় সূত্রমতে,যুবলীগ নেতা সবুজ তালুকদারের কাছে চাঁদা দাবী করে আসছে থানা শ্রমিক দলের সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন, এতে জেলা যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার বাঁধা দিলে আজ দুপুর ১২.৩০ মিনিটের সময় গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার ও ইকবাল হোসেন লিটনের গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে যুবদলকর্মী রুবেল (৩২) আবু সাঈদ (৪৫) ইলিয়াস (৩০) আবদুল গফুর (৩৫) সহ উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হন। পরে পুলিশ ও নৌ-বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
এ বিষয়ে জানকে চাইলে জেলা যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার বলেন, ৫ আগস্টের পরে লিটন, জামালসহ কিছু সন্ত্রাসী বিভিন্ন জনের কাছ থেকে চাঁদা দাবী করে হয়রানি করে আসছে। আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমান ও মেজর অবঃ হাফিজ উদ্দিন আহমেদের নির্দেশ কে অমান্য করে কিছুদিন যাবত এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার চেষ্টা করে আসছে। আজকে তারা সন্ত্রাসী নিয়ে এসে আমাদের যুবদলের কর্মী রুবেলকে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। এসময় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জনগন তাদেরকে ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে উপজেলা শ্রমিকদল সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন বলেন, বিগত আওয়ামী লীগের সময়ে আমার ব্যবসা দখল করে মালামাল লুট করে নিয়ে যায় যুবলীগ নেতা সবুজ তালুকদার ও তার ভাই রিয়াজ।
পরে ৫আগষ্টের পরে আমি আমার পাওনা বুঝে নিতে গেলে যুবদলের একনেতা নেতৃত্বে গিয়াস ও বডি মিজান প্রতিবন্ধকতা তৈরী করায় আ’লীগ ক্যাডার সবুজর নিকট থেকে আমি আমার লুট করা মালামালের হিসাব বুঝে নিতে পারিনি। গতকাল ৬ জানুয়ারী সবুজ তালুদারকে ধরতে শশীগঞ্জ বাজারের দক্ষিণ মাথায় গেলে গিয়াস ও বডি মিজানের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী আমাদের উপর হামলা করে।
তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, মারামারির ঘটনায় কোন পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।