1. admin@prottashanewsbd24.com : admin :
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে বিএনপিকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানালেন দেশের শীর্ষ আলেমগন হাদীর বোন পরিচয়ে জামায়াতের প্রতারণা। নাহিদ ইসলামের পক্ষে চেয়েছেন ভোট জামায়াত আমিরের জনসভায় ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান এমন বাংলাদেশ দেখলে,তিনি হয়তো সেদিন মুক্তিযুদ্ধ করতেন না।জামায়াতের আমির বিএনপির নির্বাচনি প্রচারণায় গুলি।আহত-৫ ঘুষকান্ডে চাকরি হারালেন ইসির দুই কর্মকর্তা আজ নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করবে বিএনপি ঢাকায় বিএনপির নির্বাচনি সমাবেশ আগামী রোববার জামায়াতের পক্ষে গোপন মিছিল থেমে নেই।সরোয়ার তুষার নির্বাচিত হলে দেশে ইরানের মতো ‘হিজাবি আইন’ চালু করা হবে। জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল

বিভেদ ভুলে মঞ্জুর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ খুলনা বিএনপি।

প্রত্যাশা নিউজ ডেস্ক
  • সময় : রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬
Oplus_16908288
সংবাদটি শেয়ার করুন:

খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জুর অনুসারী নেতারা দীর্ঘ চার বছর পর গেলেন দলীয় কার্যালয়ে। সেখানে বর্তমান কমিটির নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তারা। বৈঠকে খুলনা-২ (মহানগরীর ১৬-৩১ নম্বর ওয়ার্ড) আসনের দলীয় প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নির্বাচন পরিচালনায় কমিটি গঠিত হয়। এতে দুই পক্ষের নেতাদেরই রাখা হয়েছে। তারা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন।

দীর্ঘদিন পর উভয় অংশের নেতাদের এক টেবিলে দেখে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তারা জানিয়েছেন, খুলনা মহানগর বিএনপিতে বিভেদ বেশ পুরোনো। তা তীব্র হয় ২০২১ সালে। ওই বছরের ৯ ডিসেম্বর নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন মহানগর বিএনপির কমিটি ভেঙে দেয় কেন্দ্র। শফিকুল আলম মনাকে আহ্বায়ক ও শফিকুল আলম তুহিনকে সদস্য সচিব করে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়। এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এর জের ধরে তাঁর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পদ স্থগিত করা হয়। এর পর থেকে দুই পক্ষের নেতাদের মুখ দেখাদেখি অনেকটাই বন্ধ হয়ে যায়।

চার বছর ধরেই পৃথকভাবে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালন করছেন বিএনপি নেতারা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনের প্রার্থী নির্ধারণ নিয়ে বিভক্তি আরও বেড়ে যায়। নজরুল ইসলাম মঞ্জু, শফিকুল আলম মনা ও শফিকুল আলম তুহিন; তিনজনই দলীয় মনোনয়ন দাবি করেন। শেষ পর্যন্ত নজরুল ইসলাম মঞ্জুর হাতেই ধানের শীষ প্রতীক তুলে দেয় বিএনপি। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্রোহ করেন মহানগর বিএনপির বর্তমান নেতারা। বিষয়টি নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুলের মধ্যস্থতায় দফায় দফায় বৈঠক হয় দুই পক্ষের। এক পর্যায়ে নির্বাচন সামনে রেখে সবাই একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন।

গত শুক্রবার মাগরিবের নামাজের পর নগরীর কেডি ঘোষ রোডে অবস্থিত মহানগর বিএনপির কার্যালয়ে যান মঞ্জুর অনুসারী নেতারা। তাদের নেতৃত্বে ছিলেন কমিটির মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, সাবেক উপদেষ্টা সেকেন্দার জাফরুল্লাহ খান সাচ্চু, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব কায়সার, সদর থানার সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান অপু, সোনাডাঙ্গা থানার সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ। রাত ৯টার দিকে তাদের সভা শেষ হয়।

খুলনা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠনের উদ্দেশে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা। প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সাবেক সিটি মেয়র মনিরুজ্জামান মনি। সেখানে শফিকুল আলম মনাকে আহ্বায়ক, নগর বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা সেকেন্দার জাফরুল্লাহ খান সাচ্চু ও শফিকুল আলম তুহিনকে সমন্বয়ক করে ১০১ সদস্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠিত হয়। সভায় ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়েও উভয় পক্ষের নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচন কমিটি গঠনের মাধ্যমে কাজ করার সিদ্ধান্ত হয়।

এ বিষয়ে মনিরুজ্জামান মনি গতকাল শনিবার সমকালকে বলেন, ‘২০২১ সালের পর প্রথম গেলাম। সবাই ইতিবাচকভাবেই নিয়েছে। এখন থেকে নিয়মিত একসঙ্গে সভা হবে।’

মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা বলেন, ‘নেতাকর্মীদের মধ্যে মাঝেমধ্যে মনোমালিন্য তৈরি হয়, আবার দূর হয়ে যায়। বড় দলে এগুলো স্বাভাবিক ঘটনা। নির্বাচনে দলের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছি।’

খুলনা-২ আসনের দলীয় প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ভুলত্রুটি ভুলে নির্বাচনে সবাই একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিএনপির সব পর্যায়ের নেতাকর্মীর কাছে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।


সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও সংবাদ

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব  সংরক্ষিত © প্রত্যাশা নিউজ বিডি ২৪ © ২০২১
Theme Customized BY Theme Park BD